আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর কারাভোগের পর অবশেষে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বৃহত্তর টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি, টঙ্গী ন্যাশনাল ফ্যান শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও কারানির্যাতিত শ্রমিক নেতা নুরুল আমিন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তার মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়লে গাজীপুরের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দেয়। এ সময় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হন।
কারাগার থেকে বের হওয়ার পর নুরুল আমিনকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর বিএনপির অন্যতম নেতা রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, গাজীপুর মহানগর জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সাধারণ সম্পাদক আরাফ রিফাতসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীরা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর ধরে নুরুল আমিনকে একটি মামলায় কারাভোগ করতে হয়েছে। তার মুক্তির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। প্রিয় নেতাকে দীর্ঘ সময় পর কাছে পেয়ে অনেক নেতাকর্মী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
তারা আরও বলেন, গাজীপুরের মাটি ও মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত যেসব নেতাকর্মী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কারণে কারাবন্দি কিংবা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তারাও একে একে স্বজন ও মানুষের কাছে ফিরে আসবেন এমন প্রত্যাশা তাদের।
এ সময় নেতাকর্মীদের কণ্ঠে শোনা যায়, “একজন একজন করে গাজীপুরের মাটি ও মানুষের কাছে সবাই ফিরে আসবে, ইনশাআল্লাহ।”
নুরুল আমিনের মুক্তিকে ঘিরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফুলেল শুভেচ্ছা, স্লোগান ও নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কারাগারের সামনের এলাকা মুখর হয়ে ওঠে।
দীর্ঘদিনের কারাভোগের পর নুরুল আমিনের মুক্তিকে স্বস্তির খবর হিসেবে উল্লেখ করে নেতাকর্মীরা বলেন, তার মুক্তির মধ্য দিয়ে গাজীপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
