আশিকুর রহমান:
গাজীপুর টঙ্গীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিএমপি টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও মালামালসহ ৫ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: ১। পিরোজপুর জেলা কাউকালী থানার মৃত ফজলুল হকের ছেলে ফোরকান হোসেন শান্ত ২। ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার কামাল খানের ছেলে কামরুল ইসলাম ইয়াছিন ৩। টঙ্গী পূর্ব থানার আমতলী কেরানিটেক আমির হোসেনের স্ত্রী হনুফা বেগম ৪। শেরপুর জেলার নালিতা বাড়ি থানার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ইসমত আরা সাবিনা ৫। শেরপুর জেলা নালিতা বাড়ি থানার আব্দুল খালেকের ছেলে শহিদুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার টঙ্গী পূর্ব থানার একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে আন্তঃজেলা মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা ফোরকান তার সহযোগীদের দিয়ে টঙ্গী পূর্ব এবং আশেপাশের বিভিন্ন থানা এলাকায় মাদক বিক্রির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। উক্ত তথ্য ভিত্তিতে উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) এর তত্ত্বাবধানে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইন চার্জের নেতৃত্বে ৫ টি টিম টঙ্গী পূর্ব থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকবিক্রির মূলহোতা ও তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ২৫ কেজি গাঁজা, নগদ ২৮,৩৩০ টাকা, একটি মাদক বহনকারী বাস, একটি নোয়া মাইক্রোবাস, ২টি পিকআপ, ২টি স্বর্ণের চেইন, মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের ৯টি হিসাব রেজিস্টার খাতা, ১টি গাড়ির ভুয়া নেমপ্লেট, মাদকের কাজে ব্যবহারিত ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার অপরাধ দক্ষিন ডিসি মোঃ মাহবুব আলম বলেন, মাদক সিন্ডিকেটের মূলহোতা মোঃ ফোরকান হোসেন শান্ত (৩৫) গাজীপুর, ঢাকা, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলায় তার সহযোগী মাদক ব্যাবসায়ীদের মাধ্যমে মাদক বিক্রি করে আসছিলো । এক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন পন্য পরিবহনের নামে পিকআপ, মাইক্রোবাস, বাসের মাধ্যমে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় মাদক পৌঁছে দিত। তারা টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। আমরা আমাদের বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।
টঙ্গী পূর্ব থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশরাফুল জানান, পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নিদের্শনা অনুযায়ী মাদক বিরোধী অভিযান ও অন্যান্য অভিযান অব্যহত থাকবে। তাদের বিরুদ্ধে উক্ত ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
